Press "Enter" to skip to content

ভারত-পাকিস্তানসহ ৮টি যুদ্ধ থামানোর দাবি ট্রাম্পের, নোবেল না পাওয়ার আক্ষেপ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

ওয়াশিংটন, ২৪ অক্টোবর- ভারত-পাকিস্তান সংঘাতসহ আটটি যুদ্ধ থামাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এসব সংঘাত নিরসনে নিজের ভূমিকার কথা তুলে ধরে আবারও নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ার আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা ও উচ্চ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়ে ভারত ও পাকিস্তানকে সংঘাত থেকে সরে আসতে বাধ্য করেছিলেন তিনি। শুক্রবার ফ্লোরিডায় এক নির্বাচনি প্রচার সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন ট্রাম্প।

আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে আয়োজিত ওই সমাবেশে তিনি দাবি করেন, পারমাণবিক অস্ত্রধারী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘাত বড় আকার ধারণ করার আগেই তা থামাতে সক্ষম হয়েছিলেন তিনি।

ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, দুই দেশকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখিয়েছিলেন তিনি। এমনকি উভয় দেশের ওপর সর্বোচ্চ ২৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের হুমকিও দিয়েছিলেন। তাঁর দাবি, এই চাপের মুখে দুই পক্ষ গুলি চালানো বন্ধ করে এবং সংঘাতের অবসান ঘটে।

নিজের কথিত কূটনৈতিক সাফল্যের প্রসঙ্গ তুলে নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ার বিষয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ‘আমি কি নোবেল পুরস্কার পেয়েছি? না।’

গত বছর পেহেলগামে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে শুরু হওয়া সশস্ত্র সংঘাত থামিয়েছিলেন বলে ট্রাম্প বারবার দাবি করে আসছেন। তবে এ বিষয়ে ভারতের অবস্থান ভিন্ন। নয়াদিল্লি বরাবরই দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকরে তৃতীয় কোনো পক্ষের মধ্যস্থতার দাবি নাকচ করে এসেছে।

ভারতের বক্তব্য অনুযায়ী, ‘অপারেশন সিন্দুর’ চলাকালে সামরিক পদক্ষেপ বন্ধ করার জন্য পাকিস্তানের ডিরেক্টর জেনারেল অব মিলিটারি অপারেশনসের (ডিজিএমও) পক্ষ থেকে তাঁর ভারতীয় সমকক্ষকে অনুরোধ জানানো হয়েছিল। এরপরই ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।

গত বছরের ৭ মে ভারত ‘অপারেশন সিন্দুর’ শুরু করে। এ অভিযানে পাকিস্তান এবং পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে অবস্থিত সন্ত্রাসী অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালায় ভারতীয় বাহিনী।

ভারতের দাবি, এ অভিযানে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিগুলোতে আঘাত হানা হয়েছিল। পরে ১০ মে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে অনুরোধ পাওয়ার পর সামরিক অভিযান স্থগিত করা হয়।

এস এম/ ২৪ অক্টোবর ২০২৬

More from আন্তর্জাতিকMore posts in আন্তর্জাতিক »

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Mission News Theme by Compete Themes.