Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the matomo domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/gbtnews/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131
ফিলিস্তিনি বন্দিদের মৃত্যুদণ্ড বিল পাসের পথে ইসরাইল, বিশ্বজুড়ে বাড়ছে উদ্বেগ – GBTnews Bangla Press "Enter" to skip to content

ফিলিস্তিনি বন্দিদের মৃত্যুদণ্ড বিল পাসের পথে ইসরাইল, বিশ্বজুড়ে বাড়ছে উদ্বেগ

জেরুজালেম, ২২ ফেব্রুয়ারি – ইসরাইলি আইনসভা নেসেটে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার বৈধতা প্রদানে একটি বিতর্কিত বিল পাসের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার কর্মীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ফিলিস্তিনি লেখক মোহাম্মদ আল কিক আল জাজিরায় প্রকাশিত এক নিবন্ধে মন্তব্য করেছেন যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদাসীনতার সুযোগ নিয়েই ইসরাইল এমন কঠোর পদক্ষেপের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

২০২২ সালে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জোট সরকার গঠনের অন্যতম শর্ত হিসেবে কট্টরপন্থি জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন গভির এই বিল পাসের দাবি জানিয়েছিলেন। গত নভেম্বরে বিলটি প্রথম পাঠে পাস হয় এবং জানুয়ারিতে এর বিধানগুলো জনসমক্ষে আসে। প্রস্তাবিত এই বিলে বলা হয়েছে যে দণ্ডাদেশের ৯০ দিনের মধ্যে কোনো আপিল ছাড়াই ফাঁসির মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে। নিবন্ধে উল্লেখ করা হয় যে ফিলিস্তিনিদের কেবল বন্দি না বলে যুদ্ধবন্দি হিসেবে আখ্যায়িত করা অধিক যুক্তিযুক্ত।

কারণ সামরিক দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ অথবা কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই তাদের বছরের পর বছর আটকে রাখা হয়। বর্তমানে ইসরাইলি কারাগারে থাকা ফিলিস্তিনিদের এক তৃতীয়াংশই প্রশাসনিক আটক অবস্থায় রয়েছেন এবং তাদের মধ্যে নারী ও শিশুও অন্তর্ভুক্ত। সামরিক আদালতে এসব বন্দির বিচার প্রক্রিয়া শুরু থেকেই পক্ষপাতদুষ্ট বলে অভিযোগ রয়েছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে কারাগারগুলোতে নির্যাতন, অনাহার এবং চিকিৎসার অবহেলার মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

এই সময়ের মধ্যে অন্তত ৮৮ জন ফিলিস্তিনি বন্দি কারাগারে প্রাণ হারিয়েছেন। মোহাম্মদ আল কিক নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে জানান যে ১০ বছর আগে তাকেও কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই দীর্ঘ সময় আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়েছিল। সে সময় আন্তর্জাতিক রেড ক্রসের প্রতিনিধিদেরও তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে দেওয়া হয়নি। ফিলিস্তিনিদের ওপর এই পদ্ধতিগত নিপীড়ন জেনেভা কনভেনশনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সন্ত্রাসবাদ দমনের যুক্তি দেখিয়ে ইসরাইলের দখলদারিত্ব ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়গুলো এড়িয়ে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। বিলটি চূড়ান্তভাবে পাস হলে হাজার হাজার বন্দির জীবন চরম ঝুঁকিতে পড়বে। লেখক সতর্ক করে বলেছেন যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যদি কেবল নিন্দা জানানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে তবে ইসরাইল শেষ পর্যন্ত এই আইন বাস্তবায়নের পথেই হাঁটবে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইসরাইলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এস এম/ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬



More from আন্তর্জাতিকMore posts in আন্তর্জাতিক »
Mission News Theme by Compete Themes.