Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the matomo domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/gbtnews/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131
ফিলিস্তিনি বন্দিদের জন্য কুমির-ঘেরা আটক কেন্দ্র’ বানানোর প্রস্তাব ইসরায়েলের – GBTnews Bangla Press "Enter" to skip to content

ফিলিস্তিনি বন্দিদের জন্য কুমির-ঘেরা আটক কেন্দ্র’ বানানোর প্রস্তাব ইসরায়েলের

তেল আবিব, ২২ ডিসেম্বর – ফিলিস্তিনি মুসলমানদের প্রতি ইসরায়েলি নেতৃত্ব যে কতটা বিদ্বেষমূলক মনোভাব পোষণ করেন, তার আরেকটি নজির এবার পাওয়া গেল দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ও চরম ডানপন্থি নেতা ইতামার বেন-গভিরের এক কাণ্ডে। ইসরায়েলে বন্দি থাকা ফিলিস্তিনিদের জন্য ‘কুমির-ঘেরা আটক কেন্দ্র’ বানানোর প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।

রোববার (২১ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছে ইসরায়েলের স্থানীয় চ্যানেল ১৩।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েল প্রিজন সার্ভিস বেন গাভিরের এই ‘অস্বাভাবিক প্রস্তাব’ খতিয়ে দেখছে। প্রস্তাবে বন্দিদের পালানোর সুযোগ রোধ করতে কারাগারের চারপাশে কুমির রাখা হবে বলে উল্লেখ করা হয়।

চরম ডানপন্থি জিউইশ পাওয়ার পার্টির নেতা বেন-গভির গত সপ্তাহে ইসরায়েল প্রিজন সার্ভিসের প্রধান কমিশনার কোবি ইয়াকোবির সঙ্গে বৈঠকে এ পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। প্রস্তাবিত স্থানের অবস্থান উত্তর ইসরায়েলের হামাত গাদার এলাকায়, যা দখলকৃত সিরীয় গোলান মালভূমি ও জর্ডান সীমান্তের কাছে। ওই স্থানে একটি কুমির খামার এবং চিড়িয়াখানাও রয়েছে।

ইসরায়েলি সংসদ নেসেট আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বেন-গভিরের আরেকটি বিতর্কিত বিলের ওপর ভোট দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। ওই প্রস্তাবিত বিলে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলা পরিকল্পনা বা অংশগ্রহণের অভিযোগে অভিযুক্ত ফিলিস্তিনি বন্দিদের মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। গত ১১ নভেম্বর বিলটির প্রথম দফা অনুমোদন দেয় নেসেট। আইন কার্যকর হতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফা পাস প্রয়োজন।

ইসরায়েলের কারাগারে বর্তমানে ৯ হাজার ৩০০’র বেশি ফিলিস্তিনি বন্দি রয়েছে, যাদের মধ্যে আছে নারী ও শিশুও। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বন্দিদের ওপর নির্যাতন, অনাহারে রাখা এবং চিকিৎসা অবহেলায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

গাজায় চলমান গণহত্যামূলক আগ্রাসনে এই নিপীড়ন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে ইসরায়েল। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত গাজায় ৭০ হাজার ৯০০’র বেশি মানুষ নিহত হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। আহত হয়েছে আরও প্রায় ১ লাখ ৭১ হাজার ২০০ জন এবং ধ্বংস হয়ে গেছে সমগ্র উপত্যকার অবকাঠামো।

সূত্র: আরটিভি নিউজ
এনএন/ ২২ ডিসেম্বর ২০২৫



More from আন্তর্জাতিকMore posts in আন্তর্জাতিক »
Mission News Theme by Compete Themes.