
ঢাকা: জাল ও ভুয়া সনদের অভিযোগে ৩৩০ জন কলেজ প্রভাষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেলের জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের টেবিলে উত্তাপিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য দেন শিক্ষামন্ত্রী। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২০তম দিন সংসদে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস তার প্রশ্নে বলেন, দেশের শিক্ষা খাতে বড় ধরনের অনিয়নের চিত্র সামনে এনেছে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফতর (ডিআইএ)। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থাটি ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পরিচালিত তদন্ত ও নিরীক্ষারভিত্তিতে ৯৭৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওপর একটি প্রতিবেদনে উঠে আসে জাল ও ভুয়া সনদে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগসহ বিস্তর আর্থিক অনিয়ম। বিষয়টি সত্য হলে, সরকার এই অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে কিনা?
জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের শিক্ষাখাতে অনিয়ম সংক্রান্ত বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফতর (ডিআইএ) নিয়মিতভাবে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। বিভিন্ন সময়ে পরিচালিত পরিদর্শন ও নিরীক্ষার মাধ্যমে জাল ও ভুয়া সনদে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগসহ বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের বিষয় উদঘাটিত হয়েছে।
তিনি বলেন, ওই অনিয়মের বিরুদ্ধে সরকার ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফতরের প্রতিবেদন অনুযায়ী শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশক্রমে জাল ও ভুয়া সনদের অভিযোগে কলেজ পর্যায়ের মোট ২০২ জন প্রভাষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এর মধ্যে এমপিওভুক্ত ৭৪ জন শিক্ষকের বেতন-ভাতা ২০২৩ সালের জুলাই মাস থেকে স্থগিত করা হয়েছে এবং এমপিওবিহীন অবশিষ্ট ১২৮ জন প্রভাষকের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট গভর্নিং বডি কর্তৃক বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে ভবিষ্যতেও সংশ্লিষ্ট সকলের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।
সুত্রঃ সারাবাংলা.নেট









Be First to Comment