Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the matomo domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/gbtnews/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131
ইসরায়েলের ফেরত দেয়া মরদেহে ভয়াবহ নির্যাতনের চিহ্ন, আন্তর্জাতিক তদন্তের আহ্বান – GBTnews Bangla Press "Enter" to skip to content

ইসরায়েলের ফেরত দেয়া মরদেহে ভয়াবহ নির্যাতনের চিহ্ন, আন্তর্জাতিক তদন্তের আহ্বান

জেরুজালেম, ১৭ অক্টোবর – ইসরায়েলের হাতে নিহত ফিলিস্তিনিদের মরদেহে নির্যাতনের চিহ্ন পাওয়ার ঘটনায় আন্তর্জাতিক তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে গাজার স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। হামাসের পক্ষ থেকে জাতিসংঘ, মানবাধিকার কাউন্সিল এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতি এ আহ্বান জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে হামাস জানিয়েছে, গাজায় হস্তান্তর করা মরদেহগুলোতে স্পষ্টভাবে নির্যাতন, অঙ্গহানি ও গুলি করে হত্যার চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় ইসরায়েলি সেনাদের অপরাধী এবং নৈতিক ও মানবিক পতনের অভিযোগে অভিযুক্ত করতে আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে ফেরত পাওয়া শহিদদের মরদেহে নির্যাতন ও পয়েন্ট ব্ল্যাংক রেঞ্জ থেকে গুলি করে হত্যার ভয়াবহ চিহ্নগুলো তাদের অপরাধী চরিত্রকে স্পষ্টভাবে প্রকাশ করছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মুনির আল-বারশ বলেন, ফেরত পাওয়া বহু মরদেহে পোড়ানো, মারধর, হাতকড়া ও চোখ বাঁধার দাগ রয়েছে। এসব চিহ্ন বন্দিদের হত্যার আগে নির্যাতিত হবার নিদর্শন।

ইসরায়েল সম্প্রতি যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে ১২০ ফিলিস্তিনির মরদেহ হস্তান্তর করেছে। তবে অধিকাংশ মরদেহ পরিচয়বিহীন অবস্থায় ফেরত আসায়, চিকিৎসাকর্মীদের ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে পরিচয় শনাক্ত করতে হচ্ছে।

পরিবারগুলোকে সহায়তা করতে মন্ত্রণালয় একটি অনলাইন পোর্টাল চালু করেছে, যেখানে মরদেহগুলোর মর্যাদা বজায় রেখে সতর্কভাবে বাছাই করা ছবি প্রকাশ করা হয়েছে।

সূত্র: জাগো নিউজ
এনএন/ ১৭ অক্টোবর ২০২৫



More from আন্তর্জাতিকMore posts in আন্তর্জাতিক »
Mission News Theme by Compete Themes.