Press "Enter" to skip to content

সিভিল জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত জবির ১০ শিক্ষার্থীর উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ

জবি: ১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় সিভিল জজ হিসেবে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) আইন বিভাগ ও আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের ১০ শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কনফারেন্স কক্ষে এ সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে উপাচার্য চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ‘তোমাদের এ সাফল্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার গর্বিত ও আনন্দিত। তোমরা ভবিষ্যৎ জীবনে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উপনীত হও এবং নিজেদের মেধা, যোগ্যতা ও দক্ষতার মাধ্যমে আরও বিকশিত হও এটাই আমার প্রত্যাশা।’

বিজ্ঞাপন

উপাচার্য আরও বলেন, ‘তোমাদের কর্মজীবনের পদচারণায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আমি প্রত্যাশা করি। পেশাগত জীবনে সবসময় সততা, ন্যায়নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করবে। একই সঙ্গে কর্মজীবনের পাশাপাশি সার্বক্ষণিক পড়ালেখা ও জ্ঞানচর্চার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকবে। তাহলে তোমাদের ভবিষ্যৎ জীবন আরও সমৃদ্ধ ও অনুকরণীয় হয়ে উঠবে।’

নবীন বিচারকদের দেশ, সমাজ ও মানুষের প্রতি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য বলেন, বিচার বিভাগের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ পেশায় সততা, নিরপেক্ষতা, ন্যায়বোধ এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নতুন কর্মজীবনে এসব মূল্যবোধ ধারণ করে দায়িত্ব পালনের জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।

সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শারমীনের সঙ্গেও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন, আইন অনুষদের ডিন ও আইন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম, আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খ্রীষ্টিন রিচার্ডসনসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকালে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা তাদের অনুভূতি প্রকাশ করেন এবং এ অর্জনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তারা উপাচার্য ও শিক্ষকদের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

শিক্ষার্থীরা বিশেষভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির উদ্যোগের জন্য উপাচার্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি প্রতিযোগিতামূলক ও পেশাগত পরীক্ষার প্রস্তুতির ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণাবান্ধব পরিবেশ তাদের অনুপ্রাণিত করেছে।

ভবিষ্যতে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের নিয়োগ পরীক্ষায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের শিক্ষার্থীদের সফলতার হার আরও বাড়বে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা। এ লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের জন্য নির্দিষ্ট গাইডলাইন প্রণয়ন, নিয়মিত দিকনির্দেশনা, প্রয়োজনীয় একাডেমিক সহায়তা এবং পরীক্ষাকেন্দ্রিক প্রস্তুতির ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় ও সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

সুত্রঃ সারাবাংলা.নেট

More from শিক্ষাMore posts in শিক্ষা »

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Mission News Theme by Compete Themes.