Press "Enter" to skip to content

ব্যাংক ঘেরাওয়ের মুখে চুয়েট শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সেপ্টেম্বর মাসের বেতন ও উৎসব ভাতা নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার অবসান হয়েছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার পর থেকে সংশ্লিষ্টদের ব্যাংক হিসাবে বেতন-ভাতার টাকা জমা হতে শুরু করেছে।

বেতন-ভাতা বন্ধের প্রতিবাদে বুধবার সকাল ১১টা থেকে সোনালী ব্যাংকের চুয়েট শাখার সামনে অবস্থান নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। পরে ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে জটিলতার সমাধান হলে তারা অবস্থান কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন।

চুয়েট শিক্ষক সমিতির যুগ্ম-সম্পাদক সামিউন বাসির বলেন, ‘দাবির মুখে চুয়েটের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন ভাতা পরিশোধ শুরু করা হয়েছ।’

বিজ্ঞাপন

সোনালী ব্যাংক চুয়েট শাখার ব্যবস্থাপক জয়ন্ত ভৌমিক বলেন, ‘আমরা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছিলাম। এর কিছুক্ষণ পর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে সমস্যাটি সমাধান হয়েছে।’

চুয়েট কর্মচারী সমিতির সভাপতি জামাল উদ্দিন বলেন, ‘সকাল ১১টা থেকে আমরা চুয়েট শাখার সোনালী ব্যাংকের সামনে অবস্থান নিয়েছিলাম। পরে আমাদের আন্দোলনের মুখে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি সমাধান করেন। দুপুর সাড়ে ১২টার পর থেকেই কর্মকর্তা ও শিক্ষকদের ব্যাংকে টাকা ঢুকতে শুরু করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বেতন-ভাতার সমস্যার সমাধান হওয়ায় আমরা ব্যাংকের সামনে থেকে সরে এসেছি। তবে আমাদের আগের দাবি, উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহাল করতে হবে। এ দাবিতে আমাদের আন্দোলন চলবে।’

গত ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর পর থেকেই সাবেক উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। পরে একই দাবিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও কর্মবিরতিতে যান। আন্দোলনের মুখে ক্যাম্পাসে যেতে না পারলেও ব্যাংকে একটি ই-মেইল করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা আটকে দেন নতুন উপাচার্য।

এদিকে, নতুন উপাচার্যের নিয়োগ বাতিল এবং সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে চুয়েটে টানা ১৬ দিন ধরে শাটডাউন কর্মসূচি চলছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষাসহ অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম স্থবির রয়েছে। বেতন-ভাতার জটিলতার সমাধান হলেও উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে চলমান আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

সুত্রঃ সারাবাংলা.নেট

More from শিক্ষাMore posts in শিক্ষা »

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Mission News Theme by Compete Themes.