Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the matomo domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/gbtnews/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131
জাবির ছাত্রী হল থেকে মাদক সেবনরত অবস্থায় নারী শিক্ষার্থী আটক – GBTnews Bangla Press "Enter" to skip to content

জাবির ছাত্রী হল থেকে মাদক সেবনরত অবস্থায় নারী শিক্ষার্থী আটক

জাবি: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) নওয়াব ফয়জুন্নেছা আবাসিক হলে মাদক সেবনের সময় এক নারী শিক্ষার্থীকে আটক করেছে হল প্রশাসন। এ সময় কক্ষ থেকে গাঁজা, মদের বোতলসহ বিভিন্ন মাদকসামগ্রী উদ্ধার করা হয়।

রোববার (১৯ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১টার দিকে নওয়াব ফয়জুন্নেছা হলের ১১৬ নম্বর কক্ষ থেকে ঐ শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়। আটক শিক্ষার্থী ইনিশা নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং বেগম খালেদা জিয়া হলের আবাসিক ছাত্রী।

হল প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কক্ষ থেকে তীব্র গন্ধ বের হলে শিক্ষার্থীরা বিষয়টি হল কর্তৃপক্ষকে জানায়। পরে হলের জিএস সুমাইয়া খানমের অভিযোগের ভিত্তিতে ওয়ার্ডেন সুলতানা আক্তারের নেতৃত্বে কক্ষে অভিযান চালানো হয়।

বিজ্ঞাপন

এ সময় ইনিশাকে মাদক সেবনরত অবস্থায় আটক করা হয়। তল্লাশিকালে কক্ষ থেকে গাঁজা, মদের বোতল, ধূমপানের বিভিন্ন সরঞ্জাম, একাধিক লাইটার, সিগারেটের অবশিষ্টাংশ ও সন্দেহজনক তরল পদার্থ উদ্ধার করা হয়। কক্ষটি ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ৫১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী তনুজা তিথির নামে বরাদ্দ ছিল বলে জানা গেছে।

নওয়াব ফয়জুন্নেছা হল সংসদের জিএস সুমাইয়া খানম বলেন, ‘আগেও ওই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে বহিরাগত নিয়ে হলে আসার অভিযোগ ছিল। আজ তাকে হাতেনাতে মাদক সেবনরত অবস্থায় ধরা হয়েছে। আমরা চাই না আমাদের হল মাদকের অভয়ারণ্যে পরিণত হোক। মাদক একদিকে যেমন হলের পরিবেশ নষ্ট করে, তেমনি শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি বাড়ায়। আমরা রাষ্ট্রীয় আইনে এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।’

উদ্ধার হওয়া মাদক সেবনের সরঞ্জাম।

নওয়াব ফয়জুন্নেছা হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘প্রথমে কক্ষ থেকে তীব্র গন্ধ পাওয়ার পর আমাদের দায়িত্বপ্রাপ্ত হল সংসদের শিক্ষার্থীরা বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে প্রশাসনকে জানায়। পরে আমরা সেখানে গিয়ে ওই শিক্ষার্থীকে মাদক সেবনরত অবস্থায় পাই। মাদকের ভয়াবহতা থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়কে মুক্ত রাখতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। শিক্ষার্থীরা এভাবে সহায়তা করলে আমরা দ্রুত হলে মাদকসেবন বন্ধ করতে পারব।’

তিনি আরও বলেন, ‘যেহেতু তিনি আমাদের হলের শিক্ষার্থী নন; বরং পার্শ্ববর্তী বেগম খালেদা জিয়া হলের আবাসিক ছাত্রী, তাই সংশ্লিষ্ট হল প্রশাসনকে তাৎক্ষণিকভাবে অবহিত করা হয়েছে। কক্ষ তল্লাশি করে গাঁজাসহ বিভিন্ন সামগ্রী জব্দ করা হয়েছে। পুরো বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম রাশিদুল আলম বলেন, ‘অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিশ্ববিদ্যালয় বিধি অনুযায়ী অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়কে মাদকমুক্ত রাখার যে অঙ্গীকার, তা বাস্তবায়ন করা হবে। আমরা এরই মধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করেছি; রিপোর্ট হাতে এলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ঘটনার পর অভিযুক্ত শিক্ষার্থী দ্রুত হল ত্যাগ করায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। পরে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

উল্লেখ্য, এ ঘটনায় অধ্যাপক ড. সুলতানাকে আহ্বায়ক ও হলের ডেপুটি রেজিস্ট্রার ইয়ার হোসেনকে সদস্যসচিব করে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন— রাশেদা খাতুন, নাদিয়া সুলতানা ও শাহানাজ আক্তার।

সুত্রঃ সারাবাংলা.নেট

More from শিক্ষাMore posts in শিক্ষা »

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Mission News Theme by Compete Themes.