Press "Enter" to skip to content

ইউক্রেন যুদ্ধে সেনা পাঠানোর অভিযোগে বাংলাদেশি ট্রাভেল এজেন্সিকে ব্রিটেনের নিষেধাজ্ঞা



ঢাকা, ৭ মে – ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার হয়ে লড়াইয়ের জন্য প্রতারণার মাধ্যমে লোক পাঠানোর অভিযোগে একটি বাংলাদেশি ট্রাভেল এজেন্সির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাজ্য। মানবপাচারের অভিযোগে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখে পড়েছে ড্রিম হোম ট্রাভেলস অ্যান্ড টুরস লিমিটেড নামক প্রতিষ্ঠানটি। একই অভিযোগে আরও ১৪টি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম নিষেধাজ্ঞার তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে।

ঢাকায় অবস্থিত ব্রিটিশ হাই কমিশন জানিয়েছে যে ইউক্রেন যুদ্ধে লড়াই করার জন্য বাংলাদেশিদের প্রতারণা ও শোষণের জন্য এই ড্রিম হোম ট্রাভেলস দায়ী।

রাশিয়ার ড্রোন উৎপাদনে লাগাম টানা এবং অভিবাসীদের প্রতারণার মাধ্যমে যুদ্ধের ময়দানে পাঠানো অসাধু চক্রকে লক্ষ্য করে ব্রিটিশ সরকার ৩৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর এই শাস্তি কার্যকর করেছে।

ক্তরাজ্য সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী এই চক্রটি উন্নত জীবনের সন্ধানে থাকা বিদেশি অভিবাসীদের প্রলোভন দেখিয়ে নিয়োগ করে থাকে। পরবর্তী সময়ে তাদের যুদ্ধের সম্মুখভাগে গোলাবারুদ বহনের কাজে কিংবা অস্ত্রের কারখানায় শ্রম দিতে বাধ্য করা হয়।

বৈশ্বিক অনিয়মিত অভিবাসন ও মানবপাচার প্রতিরোধ আইনের আওতায় ড্রিম হোম ট্রাভেলসকে এই নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই পদক্ষেপের ফলে যুক্তরাজ্যে থাকা সংশ্লিষ্টদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা এবং ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সব ধরনের আর্থিক লেনদেন বন্ধ থাকবে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী এই নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছেন সের্গেই মেরজলিয়াকভ এবং আবিদ কালিদ শারিফ আবিদ। তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে লোক নিয়োগ করে ফিনল্যান্ড ও পোল্যান্ডকে অস্থিতিশীল করার অভিযোগ রয়েছে।

একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ২৭ হাজার বিদেশি যোদ্ধাকে রাশিয়া নিয়োগ করেছে। এসব যোদ্ধাদের প্রায় এক পঞ্চমাংশ প্রথম চার মাস পার হওয়ার আগেই প্রাণ হারান। মূলত পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাব এবং সেনা কর্মকর্তাদের নির্যাতনের কারণে তাদের এই করুণ পরিণতি ভোগ করতে হচ্ছে।

এনএন/ ৭ মে ২০২৬



More from বাংলাদেশMore posts in বাংলাদেশ »
Mission News Theme by Compete Themes.