Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the matomo domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/gbtnews/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131
টালমাটাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া উপজেলা বিএনপি, কমিটিতে ‘লন্ডনের প্রভাব’ – GBTnews Bangla Press "Enter" to skip to content

টালমাটাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া উপজেলা বিএনপি, কমিটিতে ‘লন্ডনের প্রভাব’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ০৫ মার্চ – ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপির বিভিন্ন উপজেলার কমিটি দেয়া নিয়ে তোলপাড় চলছে। একের পর এক উপজেলার কমিটি ঘোষণা করাকে কেন্দ্র করে হচ্ছে বিক্ষোভ, প্রতিবাদ সমাবেশ ও সংবাদ সম্মেলন। বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) জেলার কসবা ও আশুগঞ্জ উপজেলা কমিটির বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা পৃথক সংবাদ সম্মেলন করেছেন। এর আগে গত ১ মার্চ জেলার সরাইল উপজেলায় কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে বিএনপির নেতাকর্মীরা জুতা মিছিল ও বিক্ষোভ করেন। এছাড়াও পদত্যাগ করছেন আহ্বায়ক কমিটির নেতারা।

বৃহস্পতিবার রাতে আশুগঞ্জ শহরের জামে মসজিদ রোডে এক সংবাদ সম্মেলন করে সদ্য ঘোষিত উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির পাঁচজন পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাকারীরা হলেন- নবগঠিত কমিটির সদস্য ও সদ্য বিলুপ্ত কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি হাজী মো. সাদেকুর রহমান, সদ্য বিলুপ্ত কমিটির সহসভাপতি হাজী মো. মিজানুর রহমান খান, সদ্য বিলুপ্ত কমিটির সহসভাপতি ও উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি আলমগীর কবির, সদ্য বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পারভেজ খা, সদ্য বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নুর আলম।

এসময় বক্তব্য রাখেন সহসভাপতি হাজী মো. সাদেকুর রহমান, হাজী মিজানুর রহমান, বিলুপ্ত কমিটির সহসভাপতি আলমগীর কবির, সদ্য বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পারভেজ খা, নুর আলম, আলমগীর হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক খলিলুর রহমান, আড়াইসিধা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি হাজী মো. হাবিবুর রহমান, বিএনপি নেতা মাহাবি হাসান রানা, শরীফপুর ইউনিয়ন বিএনপির নেতা বাবুল মিয়া প্রমুখ।

এসময় বক্তারা বলেন, ‘টাকার বিনিময়ে অযোগ্য লোকদের দিয়ে আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি দিয়েছেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জিল্লুর রহমান। কমিটিতে যাদের রাখা হয়েছে তাদের বেশিরভাগেরেই নেতৃত্ব দেয়ার যোগ্যতা নেই। এছাড়া যারা দীর্ঘদিন মামলা হামলার শিকার হয়েছেন, দলকে সুসংগঠিত করেছেন এবং দলের পেছনে শ্রম দিয়েছেন, তাদের এই কমিটিতে মূল্যায়ন করা হয়নি।’

আরও পড়ুন : ইয়াবার টাকা না পেয়ে মাকে খুন করল মাদকাসক্ত মেয়ে

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জিল্লুর রহমানের স্বাক্ষরিত হাজী মো. শাহজাহান সিরাজকে আহ্বায়ক ও হাবিবুর রহমানকে সদস্য সচিব করে ৩১সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করে জেলা বিএনপি। এরপর থেকেই উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।

এদিকে বৃহস্পতিবার দুপুরে কসবা প্রেসক্লাবে এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলন করেছে কসবা উপজেলা বিএনপি। কসবায় জেলা বিএনপির আহ্বায়কের দেয়া উপজেলা ও পৌর বিএনপির নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটি বাতিলের দাবিতে সংবাদ সংম্মেলন করেছেন নেতাকর্মীরা। তাদের দাবি, আগামী ৮ মার্চের মধ্যে ঘোষিত কমিটি বাতিল না করা হলে নিয়মতান্ত্রিকভাবে বৃহত্তর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা বিএনপি সাবেক সভাপতি মো. ইলিয়াছ বলেন, ‘লন্ডনে তারেক রহমানের সঙ্গে থাকা ও ব্যক্তিগত সহকারী পরিচয় দেয়া আবদুর রহমান সানির ভাই জনৈক কবির আহমদ ভূইয়া। এই সম্পর্কের সূত্র ধরে এরা কসবা ও আখাউড়ায় বিএনপিকে ধ্বংস করে ফেলছে। কবির আহমদ ভূইয়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ককে প্রভাবিত করে অস্তিত্বহীন উপজেলা ও পৌর আহ্বায়ক কমিটি গঠন করে দলের মাঝে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছেন। তাদের নিজস্ব প্যাকেজ বাস্তবায়নের জন্য সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে পুরোনো কমিটি গত ৮ ফেব্রুয়ারি ভেঙ্গে দেন, যা সম্পূর্ণ অবৈধ ও গঠনতন্ত্র বিরোধী।’

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. ইকলিল আজম, সাবেক সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মো. ইলিয়াছ, সাবেক সহসভাপতি মো. মোখলেছুর রহমান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শরীফুল ইসলাম ভূইয়া, বিএনপি নেতা বেনজীর আহাম্মদ রাশু, সাবেক পৌর সভাপতি মো. আশরাফ আলী ও সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর, যুবদল সভাপতি কামাল উদ্দিনসহ শতাধিক নেতাকর্মী।

এ বিষয়ে জানতে তারেক রহমানের ব্যক্তিগত সহকারী আব্দুর রহমান সানির বড় ভাই অভিযুক্ত কবির আহমদ ভূইয়ার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি।

তবে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জিল্লুর রহমান বলেন, ‘১০১ সদস্যের উপজেলা কমিটি থেকে বাছাই করে উপজেলাগুলোতে ৩১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৭০ জন বাদ পড়লে ক্ষোভ থাকবেই। আমি কমিটির ভেতর থেকে সবাইকে নিয়ে আলোচনা করে আহ্বায়ক কমিটি দিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘কবির আহমদ ভূইয়া বিএনপির কে? তিনি তো বিএনপির কেউ না। তার বিএনপির কোনো কমিটিতে সদস্য পদও নেই। কবির আহমদ ভূইয়া করোনার সময় মানুষকে সহায়তা করেছেন। তার একটি ফাউন্ডেশন আছে।’

সূত্র : জাগো নিউজ
এন এইচ, ০৫ মার্চ

More from বাংলাদেশMore posts in বাংলাদেশ »
Mission News Theme by Compete Themes.