Press "Enter" to skip to content

বিদ্যুৎ খাতে হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের ওপর কঠোর প্রতিশোধ নেবে ইরান

তেহরান, ২৩ মার্চ – ইরানের বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে কোনো ধরনের হামলা চালানো হলে যুক্তরাষ্ট্র ও তার আঞ্চলিক মিত্রদের ওপর কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশন গার্ড কোর বা আইআরজিসি। সোমবার এক বিবৃতিতে ইরানের এই অভিজাত বাহিনী স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে তেহরান কোনো বেসামরিক স্থাপনায় হামলার পক্ষপাতী নয়। তবে মার্কিন আগ্রাসন অব্যাহত থাকলে ইরান নীরব দর্শক হয়ে বসে থাকবে না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুমকির কড়া জবাব দিয়ে আইআরজিসি আরও বলেছে হরমুজ প্রণালী কেবল শত্রুভাবাপন্ন শক্তির জন্যই নিয়ন্ত্রিত রাখা হয়েছে এবং সাধারণ নৌ চলাচলের জন্য এটি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত।

বিবৃতিতে ট্রাম্পের পক্ষ থেকে ওঠা বেসামরিক পানি শোধনাগার ধ্বংসের অভিযোগ পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। উল্টো ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তুলে আইআরজিসি জানিয়েছে মার্কিন মদদপুষ্ট হামলায় ইতোমধ্যেই কেশম দ্বীপের পানি শোধনাগার এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ওই হামলায় ১৮০ জন শিশুর প্রাণহানির তথ্য উল্লেখ করে আইআরজিসি দাবি করেছে যে যুক্তরাষ্ট্রই মূলত এই সংঘাতের প্রধান উসকানিদাতা। ইরান এতদিন হাসপাতাল বা স্কুলে হামলার মুখেও সর্বোচ্চ ধৈর্য দেখিয়েছে।

কিন্তু বিদ্যুৎ খাতের ওপর কোনো আঘাত এলে তা আর সহ্য করা হবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে। ইরানি কর্মকর্তাদের মতে যদি ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয় তবে এর পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ওই অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী কেন্দ্র এবং মার্কিন অংশীদারিত্ব থাকা সকল শিল্প ও জ্বালানি অবকাঠামোতে সরাসরি হামলা চালানো হবে। খাতাম আল আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইব্রাহিম জোলফাগারি বলেছেন ট্রাম্পের আল্টিমেটাম বিশ্ব নিরাপত্তাকে অস্থিতিশীল করার একটি অপপ্রয়াস মাত্র। ইরানের সক্ষমতা সম্পর্কে ওয়াশিংটনের সঠিক ধারণা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন প্রয়োজনে যুদ্ধক্ষেত্রেই তেহরান তার সামরিক শক্তির চূড়ান্ত প্রমাণ দেবে।

এস এম/ ২৩ মার্চ ২০২৬



More from আন্তর্জাতিকMore posts in আন্তর্জাতিক »
Mission News Theme by Compete Themes.