
ঢাকা, ২১ মার্চ – ঈদের আনন্দে কিছুটা বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে চৈত্রের বৃষ্টি। গত কয়েকদিন ধরে দেশের সব বিভাগে কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে।
শনিবার ঈদুল ফিতরের দিনেও এই ঝড়-বৃষ্টির প্রবণতা থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় এবং মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া এবং বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে।
সারা দেশের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ঝড়-বৃষ্টির প্রবণতা তুলনামূলক বেশি। শুক্রবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঢাকায় দফায় দফায় বৃষ্টি হয়েছে। এদিন ঢাকায় ১৭ মিলিমিটার এবং মাদারীপুরে দেশের সর্বোচ্চ ৩৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
শনিবার চৈত্রের ৭ তারিখ এবং ঈদের দিন। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, এদিন বিক্ষিপ্তভাবে বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টি হলেও তা একটানা হওয়ার সম্ভাবনা কম। কিছু স্থানে বৃষ্টির পর রোদের দেখাও মিলতে পারে। টানা ঝড়-বৃষ্টির কারণে দিনের তাপমাত্রা এখনও ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে অবস্থান করছে।
শুক্রবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে টেকনাফে। অন্যদিকে নীলফামারীর সৈয়দপুর ও কুড়িগ্রামের রাজারহাটে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।
কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ক গবেষক মোস্তফা কামাল জানান, ঈদের দিন শনিবার সকালে ও সন্ধ্যার পর সারা দেশের ওপর দিয়ে শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড়, তীব্র বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টি বয়ে যাওয়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে। ঢাকার ওপর দিয়েও এই কালবৈশাখী ঝড় অতিক্রম করতে পারে। ঈদের পরের দিনও দেশে এই বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেছেন।
এনএন/ ২১ মার্চ ২০২৬










