Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the matomo domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/gbtnews/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131
নবীনগরে ভিজিএফ কার্ড বিতরণে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ – GBTnews Bangla Press "Enter" to skip to content

নবীনগরে ভিজিএফ কার্ড বিতরণে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ১৩ মার্চ – ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলাধীন বীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে ভিজিএফ কার্ড বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে।

এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও প্রতিকার চেয়ে ওই ইউনিয়নের তিন নারী ইউপি সদস্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। গত বৃহস্পতিবার বারো মার্চ তারা এই লিখিত অভিযোগ জমা দেন। জানা যায়, এলাকার ভূমিহীন, দিনমজুর, দুঃস্থ এবং অসহায় পরিবারগুলোকে খাদ্য সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে সরকারের তরফ থেকে প্রতি ঈদের আগে ভিজিএফ কার্ডের মাধ্যমে জনপ্রতি দশ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়ে থাকে।

অভিযোগ উঠেছে, বীরগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন এই কার্ড বিতরণের ক্ষেত্রে চরম অনিয়মের আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি ইউনিয়ন পরিষদের তিন নারী সদস্যের কাউকেই এই কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করেননি। এর পরিবর্তে তিনি নিজের পছন্দমতো লোকজনের মাঝে এই কার্ডগুলো বিতরণ করে দিয়েছেন।

এই অনিয়মের প্রতিকার চেয়েই ওই নারী সদস্যরা অভিযোগটি দায়ের করেছেন। অভিযোগকারী তিন নারী ইউপি সদস্য রওশনা বেগম, জোহরা খাতুন এবং ফাতেমা বেগম গণমাধ্যমকে জানান, চেয়ারম্যান শুরু থেকেই প্রতিবার ভিজিএফ কার্ড বিতরণের সময় চরম স্বেচ্ছাচারিতা করে আসছেন।

তাদের তিনজনের কাউকেই কিছু না জানিয়ে চেয়ারম্যান নিজের পছন্দের লোকদের কার্ড দিয়ে দিচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়েই তারা লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। এই অভিযোগের বিষয়ে চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন জানান, এবারের ঈদে প্রথমে দুই হাজার ভিজিএফ কার্ড পাওয়ার কথা জানিয়ে তাকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি মাত্র দুইশ আটটি কার্ড হাতে পেয়েছেন। এর ফলে প্রতিটি ওয়ার্ডের পুরুষ মেম্বারদেরকেই তাদের চাহিদা অনুযায়ী কার্ড দেওয়া সম্ভব হয়নি, তাই মহিলা মেম্বারদের দেওয়ার সুযোগ ছিল না। তাছাড়া রাজনৈতিক সুপারিশেও কিছু কার্ড বিতরণ করতে হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান জানান, বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করে দেখার জন্য প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী রবিবার পনেরোই মার্চ চেয়ারম্যানকে ইউএনও কার্যালয়ে তলব করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য শুনে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ এম/ ১৩ মার্চ ২০২৬



More from বাংলাদেশMore posts in বাংলাদেশ »
Mission News Theme by Compete Themes.