Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the matomo domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/gbtnews/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131
উপসাগরীয় দেশে পানি শোধনাগারে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা, তীব্র সংকটের মুখে মধ্যপ্রাচ্য – GBTnews Bangla Press "Enter" to skip to content

উপসাগরীয় দেশে পানি শোধনাগারে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা, তীব্র সংকটের মুখে মধ্যপ্রাচ্য

তেহরান, ৯ মার্চ – ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সংঘাতের নবম দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল প্রথমবারের মতো একটি উপসাগরীয় দেশের পানি ডিস্যালিনেশন বা লবণমুক্তকরণ প্ল্যান্টে হামলা চালিয়েছে। এর ফলে ওই অঞ্চলের দেশগুলোতে ব্যবহারযোগ্য পানির উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এই ঘটনার মাত্র এক দিন আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি অভিযোগ করেছিলেন যে দক্ষিণ ইরানের কেশম দ্বীপে অবস্থিত একটি পানি শোধনাগারে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে তিনি জানান, ওই হামলার কারণে ৩০টি গ্রামে পানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। তিনি আরও সতর্ক করেন যে এ ধরনের বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা একটি বিপজ্জনক নজির স্থাপন করেছে যার পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ হতে পারে।

তবে বাহরাইনে চালানো সাম্প্রতিক হামলার বিষয়ে তেহরান এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। এই হামলাগুলো উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তার মারাত্মক দুর্বলতা প্রকাশ করেছে। মরু অঞ্চলের এই দেশগুলো তাদের সুপেয় পানির চাহিদার জন্য প্রায় সম্পূর্ণভাবে শোধনাগারগুলোর ওপর নির্ভরশীল।

সমুদ্রের লবণাক্ত পানি থেকে দূষণ দূর করে পানযোগ্য পানি তৈরির এই প্রক্রিয়ায় মূলত রিভার্স অসমোসিস প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। আরব সেন্টার ওয়াশিংটন ডিসির তথ্য অনুযায়ী বিশ্বের মোট ডিস্যালিনেশন সক্ষমতার প্রায় ৬০ শতাংশই নিয়ন্ত্রণ করে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ বা জিসিসির সদস্য দেশগুলো। কুয়েত তাদের চাহিদার প্রায় ৯০ শতাংশ, ওমান ৮৬ শতাংশ, সৌদি আরব ৭০ শতাংশ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ৪২ শতাংশ পানির জন্য এসব প্ল্যান্টের ওপর নির্ভরশীল।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, এসব স্থাপনা ধ্বংস হলে শুধু পানি সরবরাহ নয় বরং পুরো অর্থনীতি ও কৃষি খাত ভেঙে পড়তে পারে। এর আগে ১৯৯০ থেকে ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধের সময় ইরাক কুয়েতের বেশিরভাগ পানি শোধনাগার ধ্বংস করে দিয়েছিল। বর্তমানে বাহরাইন, কুয়েত ও কাতারের মতো ছোট দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।

অন্যদিকে এই সংঘাতের প্রভাবে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটও তীব্র আকার ধারণ করেছে। আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী কাতার তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি উৎপাদন স্থগিত করায় ভারত ও ইউরোপে গ্যাসের দাম এক লাফে ৩০ শতাংশ বেড়ে গেছে এবং অনেক ভারতীয় শিল্পকারখানায় গ্যাস সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এম ম/ ৯ মার্চ ২০২৬



More from আন্তর্জাতিকMore posts in আন্তর্জাতিক »
Mission News Theme by Compete Themes.