Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the matomo domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/gbtnews/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131
রাজনৈতিক মতাদর্শ দেখে প্রিজাইডিং অফিসার নির্ধারণের অভিযোগ এনসিপির – GBTnews Bangla Press "Enter" to skip to content

রাজনৈতিক মতাদর্শ দেখে প্রিজাইডিং অফিসার নির্ধারণের অভিযোগ এনসিপির

ঢাকা, ০৩ ফেব্রুয়ারি – জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া অভিযোগ করেছেন, রাজনৈতিক মতাদর্শ বিবেচনা করেই প্রিজাইডিং অফিসার নির্ধারণ করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

আসিফ মাহমুদ বলেন, তারা লক্ষ্য করছেন বিভিন্ন জেলায় রিটার্নিং কর্মকর্তারা এনএসআইয়ের মাধ্যমে প্রিজাইডিং অফিসার নির্ধারণ করছেন। সরকারি ও আধা সরকারি চাকরিতে যাদের প্রিজাইডিং অফিসার হওয়ার কথা, তাদের সম্পর্কে তথ্য নেওয়া হচ্ছে। অথচ এনএসআই বা কোনো রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার এ ধরনের তথ্য দেওয়ার কথা নয়। তিনি বলেন, তাদের জানামতে মিড লেভেল এবং তার ওপরে থাকা কিছু লোকের সহায়তায় এসব তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং সেখানে নির্দিষ্টভাবে রাজনৈতিক মতাদর্শ দেখে প্রিজাইডিং অফিসার বাছাই করা হচ্ছে।

এনসিপির মুখপাত্র বলেন, এর আগেও রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিত্তিতে চাকরি ও পদোন্নতির ঘটনা দেখা গেছে। এখন রাজনৈতিক মতাদর্শ দেখে প্রিজাইডিং অফিসার নির্ধারণ হতে দেখছেন তারা। তিনি বলেন, যখন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রিজাইডিং অফিসাররা দায়িত্বে থাকবেন, তখন স্পষ্টভাবেই এই নির্বাচন কারচুপির দিকে যাচ্ছে। এতে নির্বাচনকে ইঞ্জিনিয়ারিং করার একটি মানসিকতা স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন এবং সরকারের প্রতি তাদের আহ্বান থাকবে—রাষ্ট্রীয় যেসব প্রতিষ্ঠান এ ধরনের কাজে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, তা না হলে নির্বাচন হওয়ার আগেই পুরো প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, তারা দেখছেন বিভিন্ন জায়গায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের মধ্যে যারা নিরপেক্ষভাবে কাজ করছেন এবং প্রিজাইডিং অফিসার নির্ধারণসহ নানা ক্ষেত্রে বিএনপিকে সহযোগিতা করছেন না বা স্থানীয় বিএনপির প্রার্থীকে সহায়তা করছেন না, তাদের নির্বাচন কমিশনের চাপের মাধ্যমে দ্রুত প্রত্যাহার করা হচ্ছে। একইভাবে বিএনপির কোনো প্রার্থীকে শোকজ করা হলে বা জবাবদিহি চাওয়া হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকেও উইথড্র করা হচ্ছে। অথচ ১১ দলীয় জোট এবং এনসিপির পক্ষ থেকে যেসব প্রার্থী পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন, সেগুলোর কোনো ফলোআপ তারা পাননি।

এনসিপির মুখপাত্র বলেন, নির্বাচন কমিশন যেন একটি গভীর খাদে পরিণত হয়েছে। সেখানে তাদের পক্ষ থেকে চিঠি পাঠালে আর কোনো সাড়া পাওয়া যায় না। অথচ বিএনপির কোনো প্রার্থীকে শোকজ করার ক্ষেত্রে চিঠি দেওয়ারও প্রয়োজন হয় না, বিকেলের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা উইথড্র হয়ে যান। তিনি অভিযোগ করেন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ কিছু জায়গা থেকে স্পষ্টভাবে একটি দলকে সহযোগিতা করা হচ্ছে। নির্বাচনে তাদের বিরুদ্ধে কোনো অবস্থান নেওয়া হচ্ছে না, বরং নিরপেক্ষ কর্মকর্তাদের মাঠ থেকে সরিয়ে দিয়ে নিজেদের পছন্দের কর্মকর্তাদের দায়িত্বে বসানো হচ্ছে, যাতে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে নির্দিষ্ট একজন প্রার্থীকে বিজয়ী করা যায়।

এনএন/ ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬



More from বাংলাদেশMore posts in বাংলাদেশ »
Mission News Theme by Compete Themes.