Press "Enter" to skip to content

রাবিতে জুনিয়রকে গলা চেপে মারধরের অভিযোগ সিনিয়রের বিরুদ্ধে

রাবি: মেসেঞ্জার গ্রুপে কথাকাটাকাটির জেরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) এক শিক্ষার্থীকে গলা চেপে ধরা ও বটি নিয়ে তেড়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে আরেক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা হলে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর লিখিত অভিযোগের পর তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হল প্রশাসন।

অভিযুক্ত তৌহিদুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। ভুক্তভোগী আরাফাত এগ্রোনোমি অ্যান্ড এগ্রিকালচারাল এক্সটেনশন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শহীদ শামসুজ্জোহা হলের ১১৪ নম্বর কক্ষে থাকেন তৌহিদুল এবং ১১৫ নম্বর কক্ষে থাকেন আরাফাত। আগের দিন রাতে মেসেঞ্জার গ্রুপে ভুল বোঝাবুঝিকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এর জেরে শুক্রবার সকালে আরাফাতের কক্ষে গিয়ে তার গলা চেপে ধরেন তৌহিদুল। পরে কক্ষের বাইরে আবারও তর্কাতর্কি হলে পাশে থাকা একটি বটি নিয়ে আরাফাতের দিকে তেড়ে যান তিনি। এ সময় উপস্থিত শিক্ষার্থীরা তাদের আলাদা করেন।

বিজ্ঞাপন

ভুক্তভোগী আরাফাত জানান, আগের রাতে দেরিতে ঘুমানোর কারণে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ঘুমিয়ে ছিলেন তিনি। এ সময় তৌহিদুল এসে অতর্কিতভাবে তার গলা চেপে ধরেন। প্রায় ৮ থেকে ১০ মিনিট ধস্তাধস্তির পর হলের অন্য শিক্ষার্থীরা এসে তাদের আলাদা করেন।

আরাফাত আরও বলেন, ঘটনার কারণ জানতে চাইলে তৌহিদুল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাকে ধাওয়া করেন এবং কোপ দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে তিনি সরে যাওয়ায় আঘাত পাননি।

আক্রমণের কারণ সম্পর্কে আরাফাত বলেন, তাদের একটি মেসেঞ্জার গ্রুপ রয়েছে। সেখানে তৌহিদুলের সঙ্গে তাঁর কথাকাটাকাটি হয়। তৌহিদুল খারাপ ব্যবহার করলে তিনিও পাল্টা জবাব দেন। এ ঘটনার জেরেই তাকে আক্রমণ করা হয়েছে বলে ধারণা তার।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে তৌহিদুল বলেন, তারা একই সঙ্গে থাকেন। এর আগেও তাদের মধ্যে কয়েকবার ঝগড়া হয়েছে। পরে নিজেরাই সমঝোতা করে নিয়েছেন। সম্প্রতি মেসেঞ্জার গ্রুপের একটি বিষয় নিয়ে আবারও ঝগড়া হয়। তবে গলা চেপে ধরার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি, শুধু সামান্য হাতাহাতি হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।

বটি নিয়ে ধাওয়ার অভিযোগের বিষয়ে তৌহিদুল বলেন, ‘এরপর ও আমাকে কটু কথা বলেছে, আমিও বলেছিলাম একেবারে বটি দিয়ে দিব। বটিটা সামনে মাটিতে ছিল। প্রায় দুই সেকেন্ডের মতো আমার হাতে ছিল। এক সিনিয়র বলার সঙ্গে সঙ্গেই আমি সেটা রেখে দিই।’

এ বিষয়ে শহীদ শামসুজ্জোহা হলের প্রাধ্যক্ষ মো. আল-আমিন সরকার বলেন, ‘এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সুত্রঃ সারাবাংলা.নেট

More from শিক্ষাMore posts in শিক্ষা »

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Mission News Theme by Compete Themes.